বালিয়াড়ির ওপর চার লেন: সমাধান কোথায়?
। বে ইনসাইট রিপোর্ট ।(প্রথম পর্ব) কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত ঘেঁষে সড়ক যোগাযোগ দুই লেনের পরামর্শ দিয়েছে কক্সবাজারের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নকারী দল। একই সঙ্গে সড়কের পাশে ফুটপাত ও সাইকেল চলাচলের ব্যবস্থা রেখে পুরো পথটিকে উচ্চগতির যান চলাচলের বদলে পর্যটন ও স্থানীয় মানুষের …

। বে ইনসাইট রিপোর্ট ।
(প্রথম পর্ব)
কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত ঘেঁষে সড়ক যোগাযোগ দুই লেনের পরামর্শ দিয়েছে কক্সবাজারের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নকারী দল। একই সঙ্গে সড়কের পাশে ফুটপাত ও সাইকেল চলাচলের ব্যবস্থা রেখে পুরো পথটিকে উচ্চগতির যান চলাচলের বদলে পর্যটন ও স্থানীয় মানুষের জন্য কম গতির যোগাযোগপথ হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে।
মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের ডেপুটি লিড-২ ও স্থপতি-নগর নক্সাবিদ (Urban designer) এহসান খান বে ইনসাইটকে বলেছেন, কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের সঙ্গে সমুদ্র, পাহাড়, বন, জলাভূমি, মাছ ও স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, সেখানে উচ্চগতির সড়ক তৈরি করলে সেই ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তার মতে, এই সড়ককে জাতীয় মহাসড়কের মতো ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। বরং মেরিন ড্রাইভকে কম গতির ‘টুরিজম ও স্থানীয় এলাকার রোড’ হিসেবে পরিকল্পনা করাই কক্সবাজারের জন্য বেশি উপযোগী।
মাস্টার প্ল্যানের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে এহসান খান বলেন, সমুদ্রের একেবারে কাছাকাছি বড় আকারের সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু যান চলাচলের প্রয়োজন বিবেচনা করলে হবে না, এর সঙ্গে স্থানীয় পরিবেশ, পানি, জীববৈচিত্র্য, স্থানীয় জনগন এবং পর্যটনের ধরনকেও বিবেচনায় নিতে হবে।
কক্সবাজার মাস্টার প্ল্যানের এই ডিজাইন টিমের বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে একটি প্রশ্ন, মেরিন ড্রাইভের এই অংশটি আসলে কী ধরনের সড়ক হবে?
এহসান খানের ভাষায়, এটি এমন কোনো প্রধান ‘থ্রু ট্রাফিক’ করিডর নয়, যেখানে এক শহর থেকে আরেক শহরে দ্রুত মালবাহী ট্রাক বা বড় যানবাহন চলাচল করবে। জাতীয় পর্যায়ের যোগাযোগের জন্য এন-ওয়ান (N1) মহাসড়ক রয়েছে এবং সেটিকেই প্রধান করিডর হিসেবে মাস্টার প্ল্যানে বিবেচনা করা হয়েছে।
সেই তুলনায় মেরিন ড্রাইভের এই অংশকে পর্যটন ও স্থানীয় যোগাযোগের জন্য আলাদা চরিত্রের সড়ক হিসেবে দেখছেন তারা।
“এটা থ্রোট্রাফিক না, এটা হতে হবে লো ইমপ্যাক্ট রোড”, বলেছেন এহসান খান।
দুই লেনের কম গতির সড়ক করার প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
তার সঙ্গে দুই পাশে ফুটপাত ও সাইকেল চলাচলের ব্যবস্থা রাখার কথাও বলা হয়েছে।

গতি কমানোর পরামর্শ হবে নকশাতেই
মেরিন ড্রাইভে শুধু সড়ক সরু করাই নয়, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নকশাগত কিছু ব্যবস্থার কথাও বলেছেন এহসান খান।
তার প্রস্তাব অনুযায়ী, বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য, সংযোগ নোড ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে রাউন্ডঅ্যাবাউট বা গোলচত্বর রাখা যেতে পারে। এতে পুরো সড়কজুড়ে গাড়ি একটানা উচ্চগতিতে চলতে পারবে না।
কিছু জায়গায় সড়কের পৃষ্ঠের ধরনও পরিবর্তন করার প্রস্তাব রয়েছে, যেমন কংক্রিট বা ব্লক ব্যবহার করে এমন একটি ভিন্ন টেক্সচার তৈরি করা, যেখানে গাড়ি স্বাভাবিকভাবেই গতি কমাবে।
এক্ষেত্রে প্রচলিত স্পিডব্রেকারের বদলে সড়কের নকশাকেই গতি নিয়ন্ত্রণের উপায় হিসেবে ব্যবহার করতে চান তারা।
এহসান খান বলেন, যেখানে স্থানীয় রাস্তা, পর্যটনকেন্দ্র বা পথচারী চলাচল বেশি, সেসব জায়গায় গাড়ির গতি কমানো জরুরি। কারণ এই সড়কের পাশে থাকা গ্রামীণ বসতি, ইকো রিসোর্ট গুলোর অতিথিরা সৈকতে যাবেন, স্থানীয় মানুষ রাস্তা পার হবেন, পর্যটকের হাঁটাচলাও থাকবে।
অর্থাৎ, তাদের প্রস্তাবিত মেরিন ড্রাইভে গাড়ির পাশাপাশি মানুষের চলাচল ও পর্যটনের অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বালিয়াড়ির ওপর চার লেনের সড়ক নিয়ে আপত্তি
মেরিন ড্রাইভের পাশাপাশি কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা থেকে কলাতলী পর্যন্ত বালিয়াড়ির ওপর প্রস্তাবিত চার লেনের সড়ক নিয়েও মাস্টার প্ল্যান দলের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এহসান খান।
তার মতে, বালিয়াড়ি বা বনভূমির ওপর সরাসরি বড় সড়ক নির্মাণের পরিবর্তে এমন নকশা প্রয়োজন, যাতে প্রাকৃতিক ভূমি ও পানির প্রবাহ যতটা সম্ভব অক্ষুণ্ন থাকে।
মাস্টার প্ল্যানে এ ধরনের জায়গায় ‘নেচার-বেইস্ড সমাধানের’ কথা বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অর্থাৎ, যেখানে মাটির ওপর সরাসরি কংক্রিটের অবকাঠামো বসালে পানি শোষণ, মাটির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য কিংবা জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ পড়তে পারে, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী এলিভেটেড কাঠামো বা বোর্ডওয়াকের মতো সমাধানের কথা ভাবা হয়েছে।
তার ভাষায়, বালিয়াড়ি্র মধ্যে এমনভাবে করা উচিত, যাতে মাটির সঙ্গে একটি নিরবচ্ছিন্ন কংক্রিটের স্তর তৈরি না হয়।

‘বালিয়াড়ি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা’
কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িকে শুধু খালি জমি হিসেবে দেখার বিরোধিতা করেছেন এহসান খান।
তার মতে, সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে বালি এসে জমে প্রাকৃতিকভাবে বালিয়াড়ি তৈরি হয়। এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করলে দীর্ঘমেয়াদে উপকূলীয় স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
তিনি বলেন, সমুদ্রের পাশে কংক্রিটের কাঠামো তৈরি করলে একদিকে বালির স্বাভাবিক জমা বাধাগ্রস্ত হয়; অন্যদিকে প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ অক্ষুণ্ন থাকলে সমুদ্র থেকে আসা বালি জমে নতুন বালিয়াড়ি তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকে।
“কংক্রিটিং বাদ দিয়ে বরং স্যান্ড ডিউন তৈরি হওয়ার সুযোগ দেয়”,এমন অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি।
এখানেই তার প্রস্তাবিত ‘নেচার-বেসড সলিউশন’-এর ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
সমুদ্র, পাহাড়, বন বন্য ও জলজীবন -একটি সংযুক্ত ব্যবস্থা
কক্সবাজারকে বাংলাদেশের অন্যতম পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে বর্ণনা করে এহসান খান বলেন, এই অঞ্চলের বিশেষত্ব হলো,একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড়, এর মাঝখানে মানুষের বসতি, কৃষি, সামুদ্রিক জীবন ও জীববৈচিত্র্য।
তার মতে, এই ব্যবস্থার প্রতিটি অংশ পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।
বিশেষ করে মেরিন ড্রাইভের ক্ষেত্রে সমুদ্রের পানি, স্থলভাগের গাছপালা, পাহাড় এবং বন্যপ্রাণীর মধ্যে যে দীর্ঘদিনের ভারসাম্য তৈরি হয়েছে, সেটিকে একটি অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখতে হবে। এর উপর নির্ভরশীল হাজার মানুষের জীবিকা ও জীবনযাত্রা।
সড়ক নির্মাণ বা উপকূল রক্ষার নামে সেই ব্যবস্থার একটি অংশকে বিচ্ছিন্ন করলে অন্য অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা তার।
“আমি এটাকে বাধাগ্রস্ত যদি করি, আমি একটা থেকে আরেকটা হারাবো”,বলেন তিনি।
এখানে ‘হারানোর’ বিষয় হিসেবে তিনি মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটনের কথাও উল্লেখ করেছেন।
তার মতে, কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও পর্যটনের ‘কোয়ালিটি’ বা মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তার বক্তব্য হলো, বেশি গাড়ি, বেশি মানুষ এবং বেশি অবকাঠামো তৈরি করলেই পর্যটন উন্নত হয় না। পর্যটনকে পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
এই কারণে তিনি ‘লো ইমপ্যাক্ট ট্যুরিজম’ বা কম-প্রভাবের পর্যটন অবকাঠামোর কথা বলছেন।
মেরিন ড্রাইভের ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো,উচ্চগতির বড় যানবাহনের করিডর না বানিয়ে এমন একটি সড়ক তৈরি করা, যেখানে গাড়ির গতি কম থাকবে, মানুষ হাঁটতে পারবে, সাইকেল চালাতে পারবে এবং স্থানীয় বসতি ও পর্যটন কার্যক্রম পাশাপাশি চলবে।
বড় গাড়ির বদলে স্থানীয় যোগাযোগ
এহসান খানের বক্তব্য অনুযায়ী, মেরিন ড্রাইভে বড় মালবাহী যানবাহন বা উচ্চগতির দূরপাল্লার ট্রাফিক আনার প্রয়োজন নেই।
জাতীয় মহাসড়ক হিসেবে এন-ওয়ানকে ব্যবহার করা এবং মেরিন ড্রাইভকে স্থানীয় ও পর্যটনভিত্তিক যোগাযোগের জন্য রাখা, এই বিভাজনই তাদের প্রস্তাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এতে একই সঙ্গে পর্যটন এলাকার পরিবেশগত চাপও কমানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
কারণ উচ্চগতির সড়ক তৈরি হলে সেখানে বড় যানবাহন প্রবেশ করবে, শব্দ ও যানবাহনের চাপ বাড়বে এবং পথচারী ও পর্যটকদের জন্য সড়কটি কম ন
মাস্টার প্ল্যানের ডিজাইন প্রস্তাব সম্পর্কে এহসান খান বলেন, সরকারের চলমান প্রকল্পকে বিবেচনায় রেখেই তাদের সমাধান তৈরি করতে হচ্ছে।
অর্থাৎ, বিদ্যমান প্রস্তাবকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার পরিবর্তে সেটিকে কীভাবে পরিবেশবান্ধব করা যায়, সেই পথ খুঁজছে তারা।
এ কারণে দ্রুতগতির পরিকল্পনা থাকলেও সেটিকে সরু করে পর্যটন উপযোগী করার কথা বলেছেন তিনি।
তার ভাষায়, ওয়াইড লেন তৈরি করা হলেও নকশার মাধ্যমে সেটিকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে যাতে সেখানে সাইকেল, পথচারী এবং ধীরগতির যান চলাচলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
মেরিন ড্রাইভে বিচের পাশে ‘বোর্ডওয়াক’
সুগন্ধা থেকে কলাতলীসহ সৈকতসংলগ্ন বালিয়াড়ি ও বনাঞ্চলের ক্ষেত্রে আরও একটি বিকল্পের কথা বলেছেন এহসান খান- বোর্ডওয়াক।
তার ব্যাখ্যায়, মাটির ওপর একটানা কংক্রিটের রাস্তা তৈরি না করে প্রয়োজনীয় জায়গায় খুঁটির ওপর দিয়ে হাঁটার পথ বা বোর্ডওয়াক করা যেতে পারে।
এ ধরনের কাঠামোর নিচে পানি প্রবাহিত হতে পারে এবং মাটির স্বাভাবিক পানি শোষণ প্রক্রিয়াও বজায় রাখার সুযোগ থাকে।
মাস্টার প্ল্যানের ডিজাইন প্রস্তাবে এ ধরনের সমাধান রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
শহর রক্ষার কংক্রিট বাঁধ নয়, প্রকৃতির ওপর ভরসা
মেরিন ড্রাইভের আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো সমুদ্রের ঢেউ ও ভাঙন ঠেকাতে কংক্রিটের প্রতিরক্ষা কাঠামো কতটা কার্যকর এবং দীর্ঘমেয়াদি।
এহসান খান মনে করেন, কংক্রিটের দেয়াল বা রিটেইনিং ওয়ালকে একমাত্র সমাধান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
তিনি বিশ্বের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলের উদাহরণ টেনে বলেন, এখন অনেক জায়গায় ‘নেচার-বেসড’ উপকূল সুরক্ষার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তার যুক্তি, প্রকৃতিকে পুরোপুরি কংক্রিট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার বদলে বালিয়াড়ি, গাছপালা, প্রাকৃতিক ঢাল ও ল্যান্ডস্কেপকে ব্যবহার করে উপকূলকে সুরক্ষিত রাখার সম্ভাবনা খুঁজে দেখা দরকার।
কক্সবাজারের মতো প্রকৃতি ও পর্যটননির্ভর এলাকায় এই প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
‘উন্নয়নবিরোধী নই’
তবে বড় অবকাঠামোর বিরোধিতা করার অর্থ উন্নয়নের বিরোধিতা নয়, এ বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন এহসান খান।
তার বক্তব্য, বাংলাদেশে হাসপাতাল, স্কুল, কর্মসংস্থান, বাজার ও যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। তাই উন্নয়ন প্রয়োজনীয়; কিন্তু সেই উন্নয়ন কোন জায়গায়, কীভাবে এবং কতটা পরিবেশগত সংবেদনশীলতার সঙ্গে করা হচ্ছে,সেটিই মূল প্রশ্ন।
তিনি নিজেকে ‘অ্যান্টি-ডেভেলপমেন্ট’ হিসেবে দেখেন না; বরং তার লক্ষ্য ‘সেন্সিটিভ ডেভেলপমেন্ট’ বা সংবেদনশীল উন্নয়ন।
কক্সবাজারের ক্ষেত্রে সেই উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখতে চান প্রকৃতি, স্থানীয় মানুষের জীবনযাপন এবং পর্যটনের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে।
মাস্টার প্ল্যানের চূড়ান্ত অবস্থান এখনও আসেনি
এহসান খান জানিয়েছেন, কক্সবাজার মাস্টার প্ল্যানের কাজ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তাদের ড্রাফট প্রস্তুত হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে শুনানি ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া রয়েছে।
ফলে মেরিন ড্রাইভ বা সুগন্ধা-কলাতলী সড়ক নিয়ে তাদের প্রস্তাবকে চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
তবে তার বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট, কক্সবাজারের ভবিষ্যৎ সড়ক পরিকল্পনায় শুধু গাড়ি চলাচলের সক্ষমতা বাড়ানোকে উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে দেখতে চান না বরং উপভোগ্য, আধুনিক ও জনবান্ধব কার্যকর ব্যাবহার উপযোগী হিসেবে দেখতে চান মাস্টার প্ল্যানের ডিজাইন টিম।
[কক্সাবাজার মাস্টার প্ল্যানসহ আর সামগ্রিক বিষয় নিয়ে ২য় পর্ব পড়ুন আগামীকাল]
Share this article
Leave a Comment
Comments (0)
No comments yet. Be the first to share your thoughts!