Site Logo
English
কক্সবাজার

প্রায় দুই হাজার আইফোনহ কক্সবাজারে ছয় চীনা নাগরিক আটক, অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটির দাবি, প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন চীনা ও তাইওয়ানি নাগরিক কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের দুটি হোটেল ভাড়া নিয়ে অবস্থান করে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিলেন।

2 min read
প্রায় দুই হাজার আইফোনহ কক্সবাজারে ছয় চীনা নাগরিক আটক, অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ

। বে ইনসাইট রিপোর্ট ।

কক্সবাজারের একটি হোটেল থেকে চীনের ছয়জন নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে অনলাইন প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার শহরের হোটেল সী-প্যালেস থেকে তাঁদের আটক করা হয় বলে জানান কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান ।

পুলিশ বলছে, রামু থানায় করা একটি অভিযোগের সূত্র ধরে ঢাকার পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়েছে।

প্রশ্নের জবাবে অহিদুর রহমান বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযোগের ধরন অনলাইন প্রতারণা এবং সাইবার অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তবে মামলার নম্বর, আসামিদের নাম ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেননি এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ১৯শ ৩৮ টি আইফোন এবং ৩০ থেকে ৪০টির মতো ল্যাপটপ পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া বিদেশি পুলিশের ব্যবহৃত যোগাযোগ সরঞ্জামের মতো কিছু জিনিসও উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশের একটি সূত্র বলছে, কক্সবাজারে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন আরও অনেক বিদেশি নাগরিক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটির দাবি, প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন চীনা ও তাইওয়ানি নাগরিক কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের দুটি হোটেল ভাড়া নিয়ে অবস্থান করে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিলেন।

তবে এত বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকের সংশ্লিষ্টতা কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তাঁদের আটক করতে অভিযান চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ সূত্র।চ

হোটেল সী-প্যালেস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৬ আগস্ট চীনা নাগরিকদের একটি দল হোটেলটিতে ওঠে।

বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের অভিযানের সময় তাঁদের কয়েকজনকে আটক করা হয় বলে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানা গেছে।

তবে তাঁরা কী উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে এসেছিলেন কিংবা হোটেলে অবস্থান করে কী ধরনের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিলেন, সে বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।

আটকদের পরিচয় ও তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলার বিস্তারিত জানতে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান রামু থানায় যোগাযোগ করতে বলেন।

তবে রামু থানার ওসি মুহাম্মদ আনোয়ারুল হোসাইনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

পরে রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

Share this article

Leave a Comment

Comments (0)

No comments yet. Be the first to share your thoughts!