Site Logo
English
কক্সবাজারবিশ্লেষণ

কেমন কক্সবাজার চাই: উন্নয়ন, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মুখোমুখি প্রশ্নে নাগরিকরা

এক্সচেঞ্জ হাউজ নেই, পলিসি নেই, সৎ নেতৃত্ব নেই, তবু চলছে অপরিকল্পিত উন্নয়ন। গোলটেবিল আলোচনায় উঠে এলো কক্সবাজারের সংকট ও সম্ভাবনার বাস্তব চিত্র।

8 min read
কেমন কক্সবাজার চাই: উন্নয়ন, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মুখোমুখি প্রশ্নে নাগরিকরা

কক্সবাজার | বে ইনসাইট

আলোচনায় বক্তারা বলেন, উন্নয়নের নামে কক্সবাজারে যা হচ্ছে, তার বড় অংশই অপরিকল্পিত। নেই সমন্বিত নীতিমালা, নেই জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা। ফলে সম্ভাবনাময় এই পর্যটন শহর ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথ হারাচ্ছে।

জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) কক্সবাজার ও কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স, ঢাকা (সিসিএডি)-এর যৌথ উদ্যোগে গত ২৪ জানুয়ারি কক্সবাজার শহরের ডিপিএইচই ওয়াশ কনফারেন্স হলে এই নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এর গবেষণা ও বিশ্লেষণ সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিল বে ইনসাইট মিডিয়া গ্রুপ।

শাহ নেওয়াজ চৌধুরী
সমন্বয়ক, কক্সবাজার কমিউনিটি এলায়েন্স (সিসিএডি)

“বিশ্বের যেকোনো জায়গায় যান, যেকোনো পর্যটন গন্তব্যে দেখবেন প্রতিটি রোডে এক্সচেঞ্জ হাউজ আছে। অথচ আমি কক্সবাজারে কোনো এক্সচেঞ্জ হাউজ দেখি নাই। ফরেন ইনভেস্টর আসছে—সে ডলার এক্সচেঞ্জ করবে কিভাবে?

দেখা যায়, হোটেলের পাশে একটা ছোট জায়গা আছে, সেখানে পানের দোকান দিয়ে রাখা হয়েছে, বাসের কাউন্টার দিয়ে রাখা হয়েছে। সরকার থেকে যদি এসব বিষয় দেখভাল করা না হয়, তাহলে এসব পরিবর্তন কিভাবে হবে?

এখানে কোনো পলিসি নাই, কিন্তু সবকিছু হচ্ছে—অপরিকল্পিতভাবে হচ্ছে। দেখা যাবে, পলিসি বানাতে বানাতেই আমার সব শেষ হয়ে যাবে।”


মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর
আইনজীবী ও বিশিষ্টজন

“আমাদের এখানে সমস্যার কথা যারা বলেন, সেই সমস্যার সমাধানের মেইন প্রতিবন্ধকতা হলো—এখানে আইনের শাসন নেই, সততা নেই।

যিনি মাইক ধরে বড় বড় কথা বলেন, আইন বানান—তিনি নিজেই আইন মানেন না। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। ধূমপান বিরোধী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির পকেটে সিগারেট থাকে। মাদক বিরোধী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মদ খেয়ে আসেন, চোখে-মুখে গন্ধ থাকে।

আমাদের নেতারা দুর্নীতি বিরোধী কথা বলেন, অথচ নিজেরাই বেশি দুর্নীতি করেন। তাহলে সাধারণ মানুষ কেন করবে না? রিকশাওয়ালা যে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়, সে এই সাহস করে কিভাবে? সে দেখে—তাদের নির্বাচিত নেতারা, যারা তাদের নিয়ন্ত্রণ করে, তারাই তো তাদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়। সুতরাং তারাও নেয়।

এই যে নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলা হয়—৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়ার কথা—সবচেয়ে বড় দল বিএনপিও দেয় না। জামায়াত তো একটাও দেয় নাই।

আমি প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই—আপনাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। প্রকাশ্যে ঘোষণা করতে হবে, ‘আমি পরাজিত হতে পারি, কিন্তু গণতন্ত্রকে পরাজিত হতে দেব না। আমি আইনের শাসনকে পরাজিত হতে দেব না।’

তাহলেই ভোটে কারচুপি হবে না। কিন্তু যদি প্রতিজ্ঞা থাকে—মানুষ খুন করে হলেও আমাকে জিততে হবে, ক্ষমতায় যেতে হবে—তাহলে তো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।”


ছৈয়দ আলম
সভাপতি, কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি

“এইভাবে চললে আরো ২০ বছর, ৪০ বছর গেলেও কক্সবাজারের উন্নয়ন হবে না।

আমি ২০০৪ সালে প্রভাবশালী এক ক্ষমতাধর মানুষের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলাম—এই ট্যুরিজমটা পরিকল্পনা করে কক্সবাজারের উদ্যোক্তাদের ছেড়ে দেওয়া হোক। তখন উনি বলেছিলেন, তারা পারবেন না, এখানে বাইরের ইনভেস্টর লাগবে।

আজ আমরা দেখি, বড় বড় মেগা প্রকল্প বাইরে লোকেরা নিয়েছে। সেখানে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। আমি মনে করি, এর পেছনে আমাদের ক্ষমতাধর নেতাদের একটা পার্সেন্টেজ কাজ করে। না হলে আমি কম দরে নিলাম আমাকে দিলো না, আপনি বেশি দর দিলেন আপনাকে কেন দিলো?

আমার অর্থ আছে, আমি বাংলাদেশের মানুষ, কক্সবাজারের মানুষ। আমি দরকার হলে এক্সপার্ট নিয়ে আসবো। তবুও আমি পারবো না কেন? শুধু বিদেশি লোকদের দিতে হবে কেন?

আর সৌদি আরব ৬৬ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দিতে বলেছে—এটাকে আমি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মনে করি। এখন তো মিয়ানমার বলছে, ওরা বাংলাদেশি বাঙালি, রোহিঙ্গা না। বাংলাদেশ সরকার যদি পাসপোর্ট দেয়, তাহলে মিয়ানমারের কথাই প্রতিষ্ঠিত হবে।”


ওমর ফারুখ
সাধারণ সম্পাদক, এনসিপি কক্সবাজার।

“রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে একটা বড় সম্ভাবনা আমরা হারিয়েছি। সেটা হলো হিউম্যানিটেরিয়ান করিডোর।

এই সমস্যাটা রাখাইনের। এটাকে যদি সমাধান করতে চান, তাহলে রাখাইনে আপনার স্টেক থাকতে হবে। ২০১৭ সালের রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের পর রাখাইনে চায়না এবং ইন্ডিয়া স্টেক তৈরি করেছে।

অনেকে বলেন, ক্ষমতায় গেলে টেকনাফ স্থলবন্দর চালু করবেন। কিন্তু প্রাগমেটিক ওয়েতে না গেলে এই বন্দর চালু করা সম্ভব নয়।”


জাহেদুল ইসলাম
সাধারণ সম্পাদক, জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলা

“চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ছয় লেন হলেও যাতায়াত সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে হয় না। আমাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে, কিন্তু সেটার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না।

এই সমস্যাগুলোর মূল কারণ হলো—দেশে দীর্ঘদিন জবাবদিহিমূলক সরকার ও নেতৃত্ব ছিল না। আসন্ন নির্বাচনে যদি জবাবদিহিমূলক সরকার ও সৎ নেতৃত্ব তৈরি করা যায়, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।

সৎ নেতৃত্ব দরকার, কারণ আমাদের দেশে সম্পদের অভাব ছিল না। তারপরও সমস্যা দূর হয়নি কেন? গত ৫৪ বছরে যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেছে, তারা শত হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। এমপি-মন্ত্রী হয়ে ব্যাংক লুট করে নিয়ে গেছে। তাই সৎ নেতৃত্ব নির্বাচন করা জরুরি।”


জাহানারা ইসলাম
সভাপতি, কক্সবাজার উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

“এখনো যদি বলি—কেমন কক্সবাজার চাই—এটা খুবই দুঃখজনক। আমাদের নিজেদের অপরাগতাকে সামনে এনে নিজেদের ছোট করার প্রবণতা কমাতে হবে।

আমাদের এখানের সবচেয়ে বড় শিল্প লবণ। সেটার ক্ষেত্রে কি আমরা কোনো বিপ্লব করেছি? আজ পর্যন্ত সেই বিপ্লব হয়নি। অথচ এখানেই আমাদের হাত দেওয়া উচিত ছিল। আমাদের সৌভাগ্যের চাবিকাঠি আমাদের হাতেই।

কে কখন বিদেশ থেকে বিনিয়োগ করবে—সেই অপেক্ষায় বসে থাকলে হবে না। আমাদের সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করা, মান উন্নয়ন করা আমাদের হাতেই। আসুন, আমরা যারা কক্সবাজারে আছি, আমরা আমাদের কক্সবাজারকে আমাদের মতো করে সাজাই—যে কক্সবাজার দেখে বিশ্ব তাকিয়ে থাকবে। সেই প্রযুক্তি, সেই দক্ষতা আমাদের অর্জন করতেই হবে।”


এম আলম
মহেশখালীর স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ কর্মী

“আমার জন্মস্থান মহেশখালী। আমরা সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত। আমরা দেশের জন্য জমি দিয়েছি। মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, আরও হবে।

কিন্তু সত্যিকার অর্থে যে মহালুট হয়েছে, তার প্রতিকার কি আমরা পেয়েছি? এই যে মাতারবাড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হয়েছে—এটার ক্ষেত্রে জাতীয়ভাবে আমাদের কী অবদান রয়েছে? আমরা কি কোনো ফিডব্যাক পাই? কক্সবাজারবাসী কি উপকৃত হবে—এসব বিষয়ে তাত্ত্বিক কোনো তথ্যই কি আমরা জানতে পারি?”


রিয়াজ মোহাম্মদ শাকিল
সহসভাপতি, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি

“সমস্যা, সম্ভাবনা, করণীয়—সব নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। কিন্তু শেষ কথা হলো—বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেখা যাবে, আমরা ভোট দেবো একজন দুর্বৃত্তকে, একজন দখলবাজকে, একজন অসৎ লোককে।

আমাদের সকল উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা হলো দুর্নীতি। রাজনৈতিক অবস্থা বা অর্থনৈতিক অবস্থা যাই হোক না কেন, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে কখনো সুশাসন আসবে না। তাই যারা নির্বাচিত হবেন, তাদের দুর্নীতির বিষয়ে স্পষ্ট কমিটমেন্ট থাকতে হবে।”


মুহাদ্দিস আমীরুল ইসলাম মীর
সভাপতি, ইসলামী আন্দোলন কক্সবাজার

“আমরা সুন্দর কক্সবাজার চাই। কিন্তু সেই সুন্দর কক্সবাজার গড়ে তুলতে কীভাবে করতে হয়, সেই ব্যবস্থাপনাটা আমরা নিই না।

এর মূল কারণ হলো—দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা কাজ করতে পারি না। সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য আমাদের পরিকল্পিতভাবে এগোতে হবে।”


আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ
রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক

“পর্যটন উন্নয়নে বিকল্প চিন্তা কেউ করে না। হোটেল করছে সবাই হোটেলই করছে, রেস্তোরাঁ করছে সবাই একই ধরনের রেস্তোরাঁ করছে।

সরকারি হাসপাতালের অবস্থা দেখেন—মাটিতে পড়ে আছে রোগী। চাইলে আরও তিন-চারতলা ভবন করা যায়, লিফট বসানো যায়। কিন্তু এগুলো দেখার কেউ নেই। সরকারের পলিসিও ঠিক নেই।

আগামীতে যারা নির্বাচিত হবেন, তাদের এসব বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে। সৎ নেতা হবে না যতক্ষণ জনগণ সৎ না হয়। বাংলাদেশে একজন প্রার্থীর নির্বাচনী খরচ ১০ কোটি টাকার নিচে হয় না। এই টাকা খরচ করে নির্বাচিত হওয়ার পর সে কীভাবে সৎ থাকবে? জনগণ তো সেই টাকা নিয়েছে। জনগণ যতক্ষণ সৎ হবে না, নেতা সৎ হবে না।”


শেখ আশিকুজ্জামান
সহ-সভাপতি, কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

“মিয়ানমারের ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ৯০ লাখ ডলার আটকে আছে। বৈধ চ্যানেলের বাইরেও বিভিন্ন পারপাসে পাঠানো টাকা আছে, যা আরও তিন গুণের বেশি আটকে রয়েছে।

সামনে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবেন, তাদের কাছে অনুরোধ—টেকনাফ স্থলবন্দর অতি শিগগির খুলে দেওয়া হোক। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হোক। এটা আমাদের প্রাণের দাবি।

এই সড়কের কারণে প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিল দেখতে হয়। তাই আমরা এই সড়কের বাস্তবায়ন আগামীতে দেখতে চাই।”


মিজানুর রহমান মিল্কি
পর্যটন উদ্যোক্তা

“তরুণ উদ্যোক্তারা সেন্টমার্টিনে বিনিয়োগ করেছে, কিন্তু তারা সেই বিনিয়োগের টাকা তুলতে পারছে না। সেন্টমার্টিনের ৯০ শতাংশ জায়গা এবং কক্সবাজারের কলাতলী জোনের বেশিরভাগ জায়গার মালিকানা এখন কক্সবাজারের বাইরের মানুষের হাতে।

সুতরাং সরকারের ভূমি ব্যবস্থাপনা থাকা উচিত—কতটুকু জায়গা বাইরের মানুষ কিনতে পারবে, সেটার সীমা নির্ধারণ করা দরকার। যেটা আমরা পাহাড়ি অঞ্চলে দেখি। না হলে একটা সময় দেখা যাবে, কক্সবাজার আর কক্সবাজারের মানুষের হাতে নেই।

আর কক্সবাজারে কেউ বেড়াতে এসে চাইনিজ মাল কিনবে না। মানুষ এখানকার স্থানীয়দের তৈরি জিনিসপত্র কিনবে। সেই উদ্যোগ তৈরি করা জরুরি।”


হেদায়েত আজিজ মিঠু
সংগঠক, কক্সবাজার কমিউনিটি এলায়েন্স (সিসিএডি)

“কক্সবাজারের মানুষের অন্যতম আয়ের উৎস হলো লবণ। কিন্তু এই খাত নিয়ে কে কী করছে? এখন লবণের দাম উৎপাদনের মিনিমাম খরচের অর্ধেকেও নেমে গেছে। তার মধ্যেই আবার লবণ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।

বিসিক কী করছে? বিসিক থেকে লবণ বের করে দেওয়া উচিত। বিসিক তো কোনোভাবে এই খাতকে প্রেট্রোনাইজ করছে না। বর্তমানে যে পরিমাণ লবণ মজুদ আছে, তা দিয়ে আগামী দুই বছর চলবে।

এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে কেউ আর লবণ মাঠে নামবে না। কার কী ঠেকা পড়ছে এত কষ্ট করে লবণ উৎপাদন করতে?”


মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম
মূখ্য সমন্বয়ক, কক্সবাজার কমিউনিটি এলায়েন্স (সিসিএডি)

“কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ আশাব্যঞ্জক নয়।

এই দায়বদ্ধতা থেকেই গত দুই বছর ধরে সিসিএডি রাজধানীতে ধারাবাহিক সংলাপ আয়োজন করে আসছে, যেখানে সরকার ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। সদ্যসমাপ্ত সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রতিনিধিদের জন্য বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা দিতেই এই অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ আয়োজন করা হয়েছে।

উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের সমন্বয় না হলে ভবিষ্যতে কক্সবাজার বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে।”


মনোয়ার কামাল যিসান

সভাপতি, জেসিআই কক্সবাজার

“কক্সবাজারে বড় বড় প্রকল্প হচ্ছে। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো—এই উন্নয়ন কার জন্য? স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান, জীবনমান এবং নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, সেটাই আসল বিষয়।”

Share this article

Leave a Comment

Comments (0)

No comments yet. Be the first to share your thoughts!